নিম্নের বিষয়টি শুনতে পারবেন।
ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
পড়ার চেয়ে যারা শুনতে পছন্দ করেন, তাঁরা এখানে বিষয়টি শুনতে পারবেন।
অনলাইন বা সফট কপি পড়তে অভ্যস্ত নন, তাঁরা ডাউনলোড করে পড়তে পারবেন।
১১৮ (ক)। নির্বাচন কমিশন প্রতিষ্ঠা
(১) প্রধান নির্বাচন কমিশনার
ও [অন্যান্য]১ নির্বাচন কমিশনার লইয়া বাংলাদেশে একটি নির্বাচন কমিশন থাকিবে এবং এই
সংবিধানের তফসিল অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি প্রধান নির্বাচন
কমিশনার ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়োগদান করিবেন।
(২) নির্বাচন
কমিশন নির্বাচন বিভাগের পরিচালনা পর্ষদ হইবে এবং প্রধান নির্বাচন
কমিশনার সভাপতি ও অন্যান্য নির্বাচন
কমিশনার সদস্যরূপে কার্য করিবেন।
(৩) এই সংবিধানের বিধানাবলী-সাপেক্ষে কোন নির্বাচন কমিশনারের পদের মেয়াদ তাঁহার কার্যভার গ্রহণের তারিখ হইতে তিন বৎসরকাল হইবে এবং
(ক) প্রধান নির্বাচন কমিশনার-পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন, এমন কোন ব্যক্তি নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোনো লাভজনক পদে নিয়োগলাভের যোগ্য
হইবেন না;
(খ) অন্য কোন নির্বাচন কমিশনার অনুরূপ পদে কর্মাবসানের পর
প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা নির্বাচন কমিশনাররূপে নিয়োগলাভের
যোগ্য হইবেন, তবে অন্য কোনভাবে নাগরিকতন্ত্রের কর্মে কোন
লাভজনক পদে নিয়োগ লাভের যোগ্য হইবেন না।
(৪)
নির্বাচন কমিশন বা নির্বাচন বিভাগ পরিচালনা পর্ষদ দায়িত্বপালনে স্বাধীন থাকবেন এবং দায়িত্বের জন্য
ও ‘রাষ্ট্রপতির সাপেক্ষে সংসদের নিকট’ দায়বদ্ধ থাকিবেন।
(৫) সংসদ
কর্তৃক প্রণীত যে কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে নির্বাচন কমিশনের কর্মের শর্তাবলী
রাষ্ট্রপতি আদেশের দ্বারা যেরূপ নির্ধারণ করিবেন, সেইরূপ
হইবে;
তবে শর্ত থাকে যে, বিচার বিভাগের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য যেরূপ
পদ্ধতি ও কারণে অপসারিত হইতে পারেন, সেইরূপ পদ্ধতি ও কারণ ব্যতীত নির্বাচন
বিভাগের পরিচালনা পর্ষদের
কোনো সদস্য অপসারিত হইবেন না।
(৬) কোনো
নির্বাচন কমিশনার রাষ্ট্রপতিকে উদ্দেশ করিয়া স্বাক্ষরযুক্ত পত্রযোগে স্বীয় পদ
ত্যাগ করিতে পারিবেন।
(৭) নির্বাচন কমিশনার নিয়োগ, শপথ, ‘ক্ষমতা,
দায়িত্ব ও কর্তব্য’, এবং পদমর্যাদা এই সংবিধানের তফসিল অনুযায়ী হইবে।
“১। অনধিক চারজন”, “২। উক্ত বিষয়ে প্রণীত কোন আইনের বিধানাবলী-সাপেক্ষে”
“০০। ককককক= নতুন উপধারা বা ধারা, ককককক= সংযুক্ত, [কককক]০০=সংশোধিত বা পরিবর্তিত, ককককক= বিলুপ্ত, ককককক= অপরিবর্তিত"